ইসরাইলকে অস্ত্র ও সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে গাজায় সম্ভাব্য গণহত্যায় সহায়তার অভিযোগে নিকারাগুয়ার করা মামলা খারিজের আবেদন করেছে জার্মানি। সোমবার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে শুরু হওয়া শুনানিতে বার্লিন বলেছে, মামলাটি গ্রহণের এখতিয়ার আইসিজের নেই এবং মামলা করার আগে নিকারাগুয়া প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি। নিকারাগুয়া ২০২৪ সালের ১ মার্চ জার্মানির বিরুদ্ধে এই মামলা করে।
নিকারাগুয়ার অভিযোগ, ইসরাইলকে সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তা দিয়ে জার্মানি ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদ ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীন দায়িত্ব লঙ্ঘন করেছে। মামলায় ইউএনআরডব্লিউএতে জার্মানির তৎকালীন অর্থায়ন স্থগিতের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। জার্মানি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, বিরোধ মেটাতে নিকারাগুয়া যথেষ্ট কূটনৈতিক সুযোগ দেয়নি এবং অভিযোগের বড় অংশ আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।
জার্মানি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের পর গাজায় ব্যবহারের জন্য ইসরাইলে কোনো অস্ত্র রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়নি এবং সব রপ্তানি আন্তর্জাতিক আইন মেনে পর্যালোচনা করা হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ইসরাইলের জন্য প্রায় ৩২৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরোর সামরিক সরঞ্জাম অনুমোদিত হয়েছিল। ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে আদালত প্রথমে এখতিয়ার ও আবেদন গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করবে।
ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে নিকারাগুয়ার মামলা খারিজের আবেদন জার্মানির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।