বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নীতিমালা তৈরিতে কাজ করছে, কারণ এআই দিয়ে বানানো ভুয়া ভিডিও, ছবি ও কণ্ঠ ভবিষ্যতে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে তথ্য ও প্রযুক্তিবিদরা সতর্ক করেছেন। ১৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন অফিসে দ্রুত কাজের জন্য এআই ব্যবহার হচ্ছে, কিন্তু দেশে এখনো এ-সংক্রান্ত কোনো নীতিমালা হয়নি। নীতিমালা প্রণয়নে সরকার ইউনেস্কোর সহযোগিতা নিচ্ছে।
তথ্য ও প্রযুক্তিবিদ তানভীর হাসান জোহা বলেন, আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভুয়া তথ্য ও ডিপফেক; এগুলো মোকাবিলায় মানুষের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়াতে হবে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এআই যেমন অসীম সম্ভাবনা তৈরি করবে, তেমনি ভুয়া তথ্য, ডিপফেক ও জনমত প্রভাবিত করার অপব্যবহারও বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত নির্ভরতা সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাকে দুর্বল করতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এআই নীতিমালার জন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে এবং কমিটি ইউনেস্কোর পরামর্শ নিচ্ছে। ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়, জুলাইয়ে বাংলাদেশে ইউটিউব চ্যানেলে এআই দিয়ে তৈরি প্রায় এক হাজার ভুয়া ভিডিও আপলোড হয়, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। প্রতিবেদনে শেখ হাসিনা ও ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাক্ষাতের একটি ভুয়া ভিডিওর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিপফেক ও ভুয়া তথ্যের ঝুঁকিতে এআই নীতিমালা তৈরিতে কাজ করছে সরকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।