উত্তরের ছয় জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী এখন পানিশূন্য। একসময়ের ধু-ধু বালুচর এখন সবুজ ফসলের মাঠে পরিণত হয়েছে। রংপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারীর চরাঞ্চলে কৃষকরা কুমড়া, লাউ, বাদাম, ভুট্টা, তিল, গম, সরিষা, রসুন, ধান, পেঁয়াজ, মরিচসহ নানা ফসল চাষ করছেন। মৌসুমে শতকোটি টাকার সবজি বিক্রি করে তারা জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, বন্যার সময় ঘরবাড়ি হারালেও পানি শুকিয়ে গেলে তিস্তার চরে ফসল ফলিয়ে তারা নতুন জীবন পান। কৃষি অফিসের প্রণোদনা ও পরামর্শে উৎপাদন বাড়ছে, তবে ফসল পরিবহনে সমস্যা রয়ে গেছে। বালুচরে ঘোড়ার গাড়িতে ফসল বহন করতে হয়, ফলে দাম কমে যায়। তারা মনে করেন, সরকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করলে আরও ভালো দাম পাওয়া সম্ভব।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিস জানায়, তিস্তার চরাঞ্চলে এখন শীতকালীন ফসল ও ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হচ্ছে, যা দেশের খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
তিস্তার শুকনো চরে ফসল ফলিয়ে উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের জীবনে পরিবর্তন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।