শিক্ষা ও গবেষণায় নৈতিকতা, মৌলিকত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে দেশের পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অভিন্ন চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধ নীতিমালা প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। খসড়া চূড়ান্তের অংশ হিসেবে রোববার ইউজিসি ভবনে ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও মনোনীত প্রতিনিধিদের নিয়ে অংশীজন সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
তিনি বলেন, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধ নীতিমালা অনুসরণ করলেও অনেক প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অভিন্ন কাঠামো সরাসরি অনুসরণ করতে বা নিজেদের প্রয়োজন ও সক্ষমতার সঙ্গে মিলিয়ে পৃথক নীতিমালা করতে পারবে; এতে তাদের একাডেমিক স্বাধীনতা বজায় থাকবে। কর্মশালা, সেমিনার ও সংলাপের মতামত খসড়ায় যুক্ত করা হবে।
ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব বলেন, নৈতিকতা লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন কারণে ২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি গবেষকদের সম্পৃক্ততা থাকা অন্তত ৩২৫টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার হয়েছে। সংলাপে চৌর্যবৃত্তির সংজ্ঞা, শনাক্তকরণ, অভিযোগ, তদন্ত, শাস্তি ও আপিল নিয়ে আলোচনা হয়। অংশীজনেরা গবেষণা ও একাডেমিক কাজে এআই ব্যবহারে নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও যথাযথ স্বীকৃতির বিধান যুক্ত করার পরামর্শ দেন। সংশোধনের পর নীতিমালাটি কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সভায় উপস্থাপন করে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হবে।
সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অভিন্ন চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধ কাঠামো প্রণয়ন করছে ইউজিসি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।