ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়ম এবং প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শুক্রবার দেশজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছে। গান্ধী জয়ন্তীর দিনে নয়াদিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, কলকাতা, রাঁচিসহ বিভিন্ন শহরে বিরোধী দল, ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্দিষ্ট ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরের বড় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশ একাধিক বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাসহ অন্তত ১,১০০ জনকে আটক করে। এলাকায় ব্যারিকেড, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা, ড্রোন নজরদারি ও ইন্টারনেট বন্ধের ব্যবস্থা করা হয়। হাজারো মানুষ জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে অন্তত ১১টি দিল্লি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথও বন্ধ করা হয়।
মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে পুলিশের অনুমতি ছাড়াই ‘জেলে ভরো’ কর্মসূচিতে হাজারো তরুণ-তরুণী অংশ নেন। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ অভিযোগগুলোকে বিরোধীদের ‘মিথ্যা আখ্যান’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, সংশোধনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ছিল এবং ভুলে বাদ পড়া বৈধ ভোটারের নাম চলমান হালনাগাদে পুনরায় যুক্ত করা যাবে। বিরোধীরা নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ ও বাদ পড়াদের নাম পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।