পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ১১৭৪ দিন কারাগারে আছেন; উৎসে এই বন্দিত্বকে দেশটির গণতন্ত্র, প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য ও নাগরিক অধিকারের বড় পরীক্ষা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তোশাখানা-সংক্রান্ত মামলায় দণ্ডিত হওয়ার পর ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট তাকে কারাগারে নেওয়া হয়; এর আগে ৯ মে তিনি গ্রেপ্তার হন। পরে দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য প্রকাশ ও অন্যান্য অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়, যা তিনি অস্বীকার করেছেন।
সমর্থকদের মতে, প্রচলিত ক্ষমতাকাঠামোর কাছে আত্মসমর্পণ না করায় তাকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করা হয়েছে। সরকার বলছে, মামলাগুলোর নিষ্পত্তি আদালতেই হতে হবে। উৎসে সামরিক প্রতিষ্ঠানের প্রভাব, নির্বাচনী বৈধতা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা এবং জনগণের ভোটের ভূমিকা নিয়ে বিতর্কের কথা বলা হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানোর পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার উত্তেজনা বাড়ে।
২০২৬ সালের আগস্টে স্বাস্থ্য ও দৃষ্টিশক্তি নিয়ে পরিবার ও দলের উদ্বেগের পর সুপ্রিম কোর্ট তাকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। চিকিৎসা পরীক্ষার পর তাকে আবার কারাগারে ফেরানো হয়; সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী চিকিৎসকেরা তাকে শারীরিকভাবে উপযুক্ত বলেছেন। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাঁচ হাজারের বেশি পিটিআই সমর্থক তার মুক্তি, চিকিৎসা ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের দাবিতে ইসলামাবাদের দিকে পদযাত্রা শুরু করেন।
ইমরান খানের বন্দিত্বে পাকিস্তানে গণতন্ত্র, বিচার ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।