রাজধানীর বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়া ইসমাইল হোসেনের হত্যা মামলায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাসচালক সোহেল রানা, সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন এবং হেলপার মো. মনির হোসেন। বনানী থানা পুলিশ গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯টার দিকে এয়ারপোর্টগামী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের স্টেডিয়ামসংলগ্ন এলাকায় লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এবং লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতের মুখ ও দুই হাতে স্কচটেপ পেঁচানো ছিল এবং গলায় কালো দাগ দেখা যায়। সুরতহাল শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে তাঁকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ইসমাইলের ছেলে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করেন।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, জামালপুরের নিজ গ্রামে জমি বিক্রি করে প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে ইসমাইল গাজীপুরের কাশিমপুরে যাচ্ছিলেন। তাঁর ছেলে হাসান জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু বাবার মোবাইল ফোন বন্ধ পান। বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় একটি বাসের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সেটি শনাক্ত করা হয়। পরে জামালপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সম্পৃক্ততার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইলের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।