যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক কমিশন ইউএসসিআইআরএফ অভিযোগ করেছে, ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আটক করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ইউএপিএ অপব্যবহার করা হচ্ছে। ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতার কারণে বন্দি ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কমিশন। তাদের মধ্যে মানবাধিকারকর্মী ওমর খালিদ ও শারজিল ইমামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ষড়যন্ত্র মামলায় খালিদ ও ইমাম প্রায় ছয় বছর ধরে বন্দি আছেন, তবে এখনো তাদের বিচার শুরু হয়নি। ইউএপিএ-সংক্রান্ত মামলায় ব্রিটিশ নাগরিক জগতার সিং জোহালকে সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট জামিন দেওয়ার পর কমিশন এ আহ্বান জানায়। জোহাল ২০১৭ সালে পাঞ্জাবে গ্রেপ্তার হন এবং ২০১৬-১৭ সালের কয়েকটি হত্যা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত।
ইউএসসিআইআরএফের দাবি, জোহালের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং তাঁর মামলা ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দমন-পীড়নের বৃহত্তর প্রবণতার উদাহরণ। সংস্থাটি ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করার সুপারিশ করেছে। ভারত অতীতে ইউএসসিআইআরএফের প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল। সর্বশেষ বক্তব্যে নয়াদিল্লির কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ইউএসসিআইআরএফের অভিযোগ, সংখ্যালঘু দমনে ভারত ইউএপিএ অপব্যবহার করছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।