ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট উত্তেজনা ও সরবরাহ বিঘ্নের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে দৈনিক তেল রপ্তানি অন্তত ৬০ শতাংশ কমে গেছে। হরমুজ প্রণালির কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক দেশ জাহাজে তেল পাঠানোর পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে এবং কিছু তেলক্ষেত্রের উৎপাদনও বন্ধ রাখতে হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে ইতিহাসের অন্যতম বড় বিঘ্ন দেখা দিয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ পর্যন্ত এক সপ্তাহে সৌদি আরব, কুয়েত, ইরান, ইরাক, ওমান, কাতার, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দৈনিক গড়ে ৯ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ২৫ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল। কেপলারের বিশ্লেষক জোহানেস রাউবাল জানান, এ সপ্তাহে অঞ্চলের ভাসমান অপরিশোধিত তেলের মজুত ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল ছাড়িয়েছে, যা যুদ্ধের আগে ছিল প্রায় ১০ মিলিয়ন ব্যারেল।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে এবং আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।
হরমুজ প্রণালীর সংকটে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি ৬০ শতাংশ হ্রাস
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।