পাকিস্তান ও ভারতে ছড়িয়ে পড়া তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী দাবদাহে লাখ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায়ই ৪৪ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে, ফলে বাসিন্দারা দুপুরে ঘরের বাইরে যেতে পারছেন না। এতে দিনমজুর, পরিবহনশ্রমিক ও কৃষকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ভারতের রাজস্থান, গুজরাট, মহারাষ্ট্রসহ উত্তর ও মধ্যাঞ্চলেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। চরম তাপমাত্রার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিদ্যুৎ ঘাটতি ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঘাত ঘটায় বিভিন্ন রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
করাচিতে তাপমাত্রা একাধিকবার ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে, সর্বশেষ রেকর্ড হয়েছে ৪৪ দশমিক ১ ডিগ্রি। উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও পানির সংকটে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, যাদের বেশিরভাগই পানিশূন্যতা ও সংক্রমণে আক্রান্ত। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্রুত নগরায়ণ এই তাপপ্রবাহের মূল কারণ, যা দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রীষ্মকে দীর্ঘ ও অনিশ্চিত করে তুলছে।
বিশেষজ্ঞরা অবিলম্বে সরকারি কুলিং সেন্টার স্থাপন, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, জরুরি চিকিৎসা প্রস্তুতি এবং নগরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
পাকিস্তান ও ভারতে তীব্র দাবদাহে লাখো মানুষ চরম জলবায়ু সংকটে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।