চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম আকর্ষণ গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত দখল, দূষণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে দ্রুত তার সৌন্দর্য হারাচ্ছে। একসময় সবুজ ঘাসে মোড়ানো বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশির মিলনে গঠিত এই সৈকত এখন প্লাস্টিক, পলিথিন ও অপরিকল্পিত স্থাপনায় ভরে গেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত পর্যটন ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব এবং পর্যটকদের অসচেতন আচরণে পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। সম্প্রতি পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনার পর প্রশাসন অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে। সীতাকুণ্ডের ইউএনও জানান, সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে এবং পর্যটন পুলিশের ক্যাম্প, গণশৌচাগার ও বসার স্থান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিবেশবিদ ও স্থানীয়রা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা সৈকতে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন, যাতে গুলিয়াখালীর অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষিত থাকে।
দখল ও দূষণে সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হুমকিতে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।