দেশে বিভিন্ন মসলার উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ ও সাফল্য সত্ত্বেও আমদানিনির্ভরতা কমছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মসলা আমদানিতে প্রায় ৪৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে। একই অর্থবছরে এই শ্রেণিতে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৫৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারের, ফলে আমদানি ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪০৫ মিলিয়ন ডলার।
প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মো. মাসুদুর রহমান জানান, ২০২২-২৩ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মধ্যে আদা, পেঁয়াজ, রসুন, হলুদ ও কালোজিরার উৎপাদন বেড়েছে। পেঁয়াজের উৎপাদন ৩৪ দশমিক ৫৬ লাখ টন থেকে রেকর্ড ৫০ দশমিক ৯১ লাখ টনে এবং রসুনের উৎপাদন ৬ দশমিক ৪১ লাখ টন থেকে ৮ দশমিক ৪৮ লাখ টনে পৌঁছেছে। কর্মকর্তাদের মতে, উন্নত জাত, মানসম্মত বীজ, আধুনিক চাষাবাদ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ জরুরি।
সরকার বারি জিরা-১-এর চাষ সম্প্রসারণ করছে; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১০ জেলায় প্রদর্শনী এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৩০ কৃষককে প্রশিক্ষণ ও বীজ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা শুকানো, গ্রেডিং, মান যাচাই ও বাজারসংযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সংরক্ষণ উন্নত করে দুই থেকে চার বছর পেঁয়াজ উৎপাদনের ধারা বজায় থাকলে আমদানির প্রয়োজন থাকবে না।
উৎপাদন বাড়লেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মসলা আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয় প্রায় ৪৫৯ মিলিয়ন ডলার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।