বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ ১০ শতাংশ বাড়িয়েছে। বুধবার থেকে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয়েছে। বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, রেশনিং হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, ফলে এখন ৮৫ শতাংশ হারে জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তারা আরও জানান, বিদেশ থেকে তেল আমদানি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলছে এবং ডিপো ও বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানায়। তারা বলেন, রেশনিং ব্যবস্থার কারণে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে এবং কোথাও কোথাও হামলার ঘটনাও ঘটছে। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক অভিযোগ করেন, অনেক এলাকায় নিয়মিত তেল সরবরাহ হচ্ছে না এবং বাস্তবে ঘাটতি সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি। তারা মনিটরিংয়ের নামে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমেরও বিরোধিতা করেন।
সংগঠনটি আট দফা দাবি উপস্থাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে প্রতিটি পাম্পে পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন, সব পাম্পে সমান তেল সরবরাহ, অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ডিপোতে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করা।
রেশনিং জটিলতার মধ্যে ১০% জ্বালানি বাড়াল বিপিসি, নিরাপত্তা চায় পাম্প মালিকরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।