আউটলুক ইন্ডিয়ার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে ভারতের বিরোধী দলগুলো রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে এসেছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধী ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তারা এসআইআর বাতিল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে। বিভিন্ন শহরের এই আন্দোলনে ছাত্র, কৃষক, বুদ্ধিজীবী, সিজেপির কর্মী ও একাধিক বিরোধী দল অংশ নিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্দোলনের কোনো একক নেতা বা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামো নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষক নিরজা চৌধুরী মনে করেন, নানা দলের অংশগ্রহণ আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছে। রাহুল গান্ধী একে সবার জন্য উন্মুক্ত আহ্বান হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিরোধী নেতারা বলছেন, ছোটখাটো মতপার্থক্যের চেয়ে যৌথ লক্ষ্য এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ; কংগ্রেসও ছোট ও আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করছে।
পুলিশি পদক্ষেপ, আটক এবং প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ১১ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের অবৈধ আটক বন্ধের নির্দেশ দেয়। ১২ অক্টোবর যন্তর মন্তরে নিষেধাজ্ঞার পর দলগুলো বারখাম্বা রোডে কর্মসূচি সরিয়ে নেয়। বিশ্লেষকদের মতে, আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে ভোটার তালিকার ইস্যুকে বেকারত্ব, দুর্নীতি ও স্থবির উন্নয়নের মতো দৈনন্দিন সমস্যার সঙ্গে যুক্ত করার ওপর।
ভোটার তালিকা সংশোধনবিরোধী আন্দোলনে ভারতের বিজেপি সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।