ডিজিটাল বিজ্ঞাপনবিষয়ক একটি ব্যাখ্যামূলক লেখায় বলা হয়েছে, বেশি ক্লিক পাওয়া মানেই কোনো ক্যাম্পেইন সফল—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। রাফিদ ও তানভীরের কথোপকথনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, বিজ্ঞাপনে ক্লিকের পর ব্যবহারকারী ল্যান্ডিং পেজে পৌঁছালেন কি না, পণ্য দেখলেন কি না, ফর্ম পূরণ করলেন, নিবন্ধন করলেন বা কেনাকাটা করলেন কি না—এসবও যাচাই জরুরি। কাঙ্ক্ষিত এসব কাজকে কনভার্সন বলা হয়েছে এবং CTR-কে পুরো ফলাফলের একটি মাত্র মেট্রিক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
লেখাটি বলছে, বিজ্ঞাপন পরিবেশন, ক্লিক এবং নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী-অ্যাকশন মাপতে বিভিন্ন ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। অ্যাট্রিবিউশনের মাধ্যমে কেনাকাটার আগে গ্রাহক কোন কোন বিজ্ঞাপন, সার্চ বা অন্য চ্যানেলে সাড়া দিয়েছেন তা নির্ণয় করে সংশ্লিষ্ট মাধ্যমকে ক্রেডিট দেওয়া হয়। কোন অ্যাট্রিবিউশন মডেল ব্যবহৃত হচ্ছে, তার ওপর ফল নির্ভর করতে পারে।
ভুল ট্র্যাকিংয়ের কারণে বাস্তব কনভার্সন রিপোর্টে না-ও আসতে পারে, আবার দুর্বল সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কোনো বিজ্ঞাপনের নামে কনভার্সন যুক্ত হতে পারে। তাই ক্যাম্পেইন শুরুর আগে ও চলাকালে টেস্ট ক্লিক, ল্যান্ডিং পেজ, ইভেন্ট ফায়ারিং এবং রিপোর্টিং যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। লেখার শেষে ভিউয়াবিলিটি, অর্থাৎ ব্যবহারকারী সত্যিই বিজ্ঞাপনটি দেখেছেন কি না, সেই প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে।
ক্লিকের পরের কনভার্সন ও নির্ভুল ট্র্যাকিংই বিজ্ঞাপনের প্রকৃত ফল দেখায়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।