বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন-সংক্রান্ত আইনে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে ঋণগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বা চেয়ারম্যানের পদ ছাড়লেও ঋণখেলাপি প্রার্থী হতে না পারেন। প্রস্তাবে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থিতা নিষিদ্ধ এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি বাড়ানোর কথাও রয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২১ আগস্ট ২০২৬।
অন্তত সাত ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে, যার শুরু হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে। প্রথম ধাপের অগ্রাধিকার তালিকায় খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় জেলাগুলো রয়েছে। বার্ষিক পরীক্ষা শেষে ডিসেম্বরকে ভোটের সম্ভাব্য সময় ধরা হচ্ছে এবং ৭ জানুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরুর আগেই নির্বাচনের বড় অংশ শেষ করতে চান সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আগামী বছরের জুনের মধ্যে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে এবং এ জন্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রস্তাবে আচরণবিধি ভাঙলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান, নির্ভরশীল ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের সংজ্ঞা সংশোধন, লাভজনক পদ এবং বিরোধ নিষ্পত্তির কাঠামো নিয়েও পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের ঠেকাতে স্থানীয় নির্বাচন আইনে কঠোর সংশোধনের প্রস্তাব
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।