মার্কিন নৌ অবরোধের প্রভাবে সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ায় ইরান এখন পাকিস্তানের স্থল করিডোরের ওপর নির্ভর করছে। পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এসআরও ৬৯১ নামে একটি নীতিমালা জারি করে ছয়টি ট্রানজিট রুট নির্ধারণ করেছে, যা করাচি, পোর্ট কাসিম ও গোয়াদর বন্দরকে ইরানের গাব্দ ও তাফতান সীমান্তের সঙ্গে যুক্ত করবে। প্রায় দুই দশক ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা এই প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত হওয়ায় উভয় দেশই স্বস্তি পেয়েছে, বিশেষত যখন হাজার হাজার ইরানগামী কন্টেইনার করাচি বন্দরে আটকা রয়েছে।
২০০৮ সালে স্বাক্ষরিত ইরান-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সড়ক পরিবহন চুক্তির ভিত্তিতে এই করিডোরগুলো গঠিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই রুটগুলো ইরানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সামুদ্রিক পথের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং নিষেধাজ্ঞা ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও সীমিত বাণিজ্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। ইতোমধ্যে উজবেকিস্তানগামী হিমায়িত মাংসের পরীক্ষামূলক চালান এই পথে গেছে, যা মধ্য এশিয়ার দিকে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ইঙ্গিত করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই করিডোরগুলো ইরানের অর্থনীতিতে মৌলিক পরিবর্তন না আনলেও নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক বাধা থেকে সৃষ্ট চাপ কিছুটা লাঘব করতে পারে।
নৌ অবরোধ এড়াতে পাকিস্তানের স্থল করিডোরে ভরসা করছে ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।