যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন হোয়াইট হাউসে তার ৮০তম জন্মদিন উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো ও হরমুজ প্রণালি পুনরুন্মুক্ত করার লক্ষ্যে একটি বহুল প্রতীক্ষিত চুক্তি স্বাক্ষরের কথা ছিল। কিন্তু চুক্তির কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান বৈরুতে হামলা চালিয়ে অন্তত তিনজনকে হত্যা করে। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ হামলার নিন্দা জানান এবং পরে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে উত্তপ্ত ফোনালাপে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইরান যুদ্ধ দুই নেতার মধ্যে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ করে তেলের দাম কমাতে আগ্রহী, কিন্তু নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ বিজয় না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান। বিশ্লেষকদের মতে, অক্টোবরের নির্বাচনের আগে যুদ্ধ ব্যর্থ হলে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়বে।
বৈরুত হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নির্ভর করছে লেবাননের অবস্থা ও ইরান হিজবুল্লাহকে কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে তার ওপর।
বৈরুতে হামলায় ইরান চুক্তি ভেস্তে, ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সম্পর্ক আরও তিক্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।