প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার হরণ বা বাংলাদেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা ঠেকাতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।
তারেক রহমান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবের দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেদিন সিপাহি-জনতার ঐক্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। তিনি ইতিহাসভিত্তিক প্রদর্শনী উপস্থাপনের জন্য তরুণ প্রজন্মকে অভিনন্দন জানান এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের অবদান স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীনির্বিশেষে নাগরিকদের অভিন্ন পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি তরুণদের নিরাপদ, সমৃদ্ধ, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিএনসিসির ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য অংশ নেন। সেনাপ্রধান, বিমান বাহিনীর প্রধান, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকায় ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠানে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তারেক রহমানের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।