ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর যৌথ হামলার আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একসঙ্গে আলোচনায় নেতৃত্ব দেন। নেতানিয়াহু তখন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের পতনের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইসরাইলকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে বাদ দেয়, ফলে দেশটি তথ্যের জন্য আঞ্চলিক যোগাযোগ ও গুপ্তচর নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়।
নেতানিয়াহু, যিনি নিজেকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তুলে ধরেছিলেন, এখন রাজনৈতিক ও কৌশলগত চাপে পড়েছেন। তার ঘোষিত তিনটি লক্ষ্য—ইরানের শাসনব্যবস্থা পতন, পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নির্মূল—কোনোটিই সফল হয়নি। বরং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর ২০ বছরের স্থগিতাদেশের প্রস্তাব দেয় এবং ইসরাইলকে আলোচনার বাইরে রাখে। ইরানি জ্বালানি স্থাপনায় হামলা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
ফলে ইসরাইল এখন সমান অংশীদার নয়, বরং মার্কিন সামরিক কৌশলের অনুসারী হিসেবে দেখা দিচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহু দেশীয় ক্ষোভ ও ব্যর্থ যুদ্ধলক্ষ্যের চাপের মুখে পড়েছেন।
ইরান যুদ্ধ আলোচনায় ট্রাম্পের কাছে প্রভাব হারালেন নেতানিয়াহু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।