২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে হামলা মুসলিম সংগঠন ও নেতৃত্বের প্রতি ওয়াশিংটনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দুটি ১১০ তলা ভবনে ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বোয়িং ৭৬৭ আঘাত হানে। একই সময়ে ছিনতাই হওয়া আরও দুটি বিমান বিধ্বস্ত হয়, যার একটি পেন্টাগনে আঘাত করে। চারটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্র হামলার জন্য আল-কায়েদা ও এর প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে দায়ী করে। ২০ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অভিযুক্ত করেন এবং ‘ওয়ার অন টেরর’ ঘোষণা দেন। তালেবান সরকার বিন লাদেন ও আল-কায়েদা নেতাদের হস্তান্তরের মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করার পর ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে ‘অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম’ শুরু করে মার্কিন বাহিনী।
পরবর্তীতে ২০০৩ সালে ইরাকে আগ্রাসন এবং ২০১১ সালে লিবিয়ায় সামরিক অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপ বহু মুসলিমের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ক্ষোভ বাড়ায়; একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষও তীব্র হয়। এফবিআইয়ের হিসাবে, মুসলিমবিদ্বেষী ঘৃণাসূচক হামলা ২০০০ সালের ২৮টি থেকে ২০০১ সালে ৪৮১টিতে ওঠে, যার ৮০ শতাংশের বেশি ১১ সেপ্টেম্বরের পর ঘটে।
নাইন ইলেভেনের পর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধনীতি ও ইসলামবিদ্বেষ দুটিই তীব্র হয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।