উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবির মুখে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রমসচিব মো. আবদুর রহমান তরফদার, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের বৈঠকে মালিকপক্ষের সম্মতিতে সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হয়। চলতি মাসেই বোর্ড গঠিত হতে পারে।
বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মূল বেতনের দাবিতে ১২ অক্টোবর থেকে উত্তরায় শ্রমিকদের আন্দোলন শুরু হয়। অস্থিরতার মধ্যে ছয়টি কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলেও দুই দিন পর সেগুলো পুরোদমে চালু হয়েছে বলে বিজিএমইএ সূত্র জানিয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কারখানায় প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন, যাদের প্রায় ৬২ শতাংশ নারী।
মালিকদের সংগঠনগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় মজুরি বাড়াতে সম্মতির কথা জানালেও সরকারের উদ্যোগের পরও আন্দোলন চলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, হঠাৎ বড় অঙ্কের মজুরি বৃদ্ধি পেলে পরিচালন ব্যয় বাড়বে এবং ছোট ও মাঝারি কারখানা চাপে পড়তে পারে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, দেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮১ শতাংশ আসে পোশাক খাত থেকে; এ খাতের রপ্তানি আয় প্রায় ৩৯ বিলিয়ন ডলার।
মূল্যস্ফীতি ও বিক্ষোভের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।