পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪৯ নম্বর কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ খেয়ে ৩৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। সোমবার দুপুর দুইটার পর শিক্ষার্থীদের মাথা ও পেটব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। কেউ বিদ্যালয়েই অসুস্থ হয়, আবার কেউ বাড়িতে যাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসে।
শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে একটি কার্টনে থাকা দুধের প্যাকেট ভেজা দেখা যায় এবং কয়েকটি ফাটা প্যাকেট থেকে উৎকট গন্ধ বের হচ্ছিল। প্রধান শিক্ষক জহিদুল ইসলাম প্যাকেটগুলো বের করে ধুয়ে ফ্যানের নিচে শুকানোর ব্যবস্থা করেন। পরে রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের প্রতিনিধি মনোয়ার একটি প্যাকেটের দুধ নিজে খেয়ে শিক্ষার্থীদের দুধ পান করতে পরামর্শ দেন। কয়েকজন শিক্ষার্থী তিক্ত বা ভিন্ন স্বাদের কথা বলেছিল।
সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে থাকা শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। ইউএনও ইন্দ্রজীৎ সাহা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন এবং নমুনা ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠানোর কথা জানান; বিএসটিআই থেকেও পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বলেন। রাত ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সব শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে বলে নিশ্চিত করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বিমল দেবনাথ।
স্কুল ফিডিংয়ের দুধ খেয়ে পঞ্চগড়ে অসুস্থ ৩৬ শিক্ষার্থী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।