Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তেহরানের বিদেশে জব্দকৃত সম্পদ একটি প্রধান বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। ১০ এপ্রিল পাকিস্তানে প্রথম দফা যুদ্ধবিরতি আলোচনার আগে ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, বিদেশি ব্যাংকে ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত না হলে কোনো আলোচনা শুরু করা যাবে না। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ইরানের কিছু সম্পদ অবমুক্ত করতে রাজি হয়েছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত তা অস্বীকার করে জানায়, সম্পদগুলো এখনও অবরুদ্ধ রয়েছে।

ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বলে ধারণা করা হয়, যার বেশিরভাগই তেল বিক্রির আয় থেকে এসেছে। এই সম্পদ চীন, ভারত, ইরাক, জাপান, কাতার, লুক্সেমবার্গ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে রয়েছে। তেহরান অন্তত ৬ বিলিয়ন ডলার মুক্তির দাবি জানিয়েছে, যা আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্থ মুক্ত হলে ইরানের অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে, মুদ্রার ওঠানামা কমবে এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা হ্রাস পাবে। যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক কূটনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

16 Apr 26 1NOJOR.COM

বিদেশে জব্দ ১০০ বিলিয়ন ডলার সম্পদ মুক্তির দাবি জানাল ইরান, যুক্তরাষ্ট্র অস্বীকার করেছে

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।