ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে তার জন্মভূমি মাশহাদে সম্পন্ন হয়েছে। রয়টার্স জানায়, ইমাম রেজা মাজারে অনুষ্ঠিত জানাজা ও শোকযাত্রায় ভোর থেকেই হাজারো মানুষ অংশ নেয়।
দাফনের আগে খামেনির মরদেহ ইরানের কোম শহর থেকে ইরাকের নাজাফে নেওয়া হয়, যেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, খামেনির বড় ছেলে মোস্তাফা হোসেইনি খামেনি এবং ইরাকি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর মরদেহ কারবালায় নিয়ে ইমাম হোসেন ও আল-আব্বাসের মাজারে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ ইরানে ফেরত আনা হয়।
দাফনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানায়, বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। রয়টার্স ও প্রেসটিভির তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যেই মাশহাদে দাফন আয়াতুল্লাহ খামেনির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।