ইসরাইলের দীর্ঘস্থায়ী সামরিক হামলা ও অবরোধে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত গাজার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় বিকল্প ব্যবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামলায় ক্যাম্পাস, গবেষণাগার ও গ্রন্থাগার ধ্বংস হলেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানী তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। প্রধান ক্যাম্পাস ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় পাঁচটি অস্থায়ী শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হিসাবে, যুদ্ধে ১৯টি শিক্ষা ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৫০০টি শ্রেণিকক্ষ, ২০০টি বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার ও ৭৫টি কম্পিউটার ল্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার দুই লাখ ৪০ হাজারের বেশি বই, গবেষণা নিবন্ধ, রেফারেন্স ও থিসিস হারিয়েছে। স্বাস্থ্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন আবদুল রউফ আলী আল-মানামা বলেন, বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে অনেক ভবন ব্যবহৃত হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম আরও কঠিন হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন শিক্ষা, ভার্চুয়াল সিমুলেশন, ধারণকৃত ল্যাব পরীক্ষার ভিডিও এবং হাসপাতালভিত্তিক প্রশিক্ষণ ব্যবহার করছে। চিকিৎসা শিক্ষার্থী দিমা মুহাইসেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, ক্ষত পরিচর্যা ও সার্জারি বিভাগে স্বেচ্ছাসেবার অভিজ্ঞতার কথা জানান। পূর্ণাঙ্গ পুনরুদ্ধারে নতুন গবেষণাগার, চিকিৎসা সরঞ্জাম, জীবাণুমুক্তকরণ ব্যবস্থা ও বিশেষায়িত কম্পিউটার প্রয়োজন হলেও অবরোধের কারণে এসব আমদানি বড় চ্যালেঞ্জ।
ধ্বংসের মধ্যেও পাঁচ অস্থায়ী কেন্দ্রে শিক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে গাজার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।