পণ্যের বৈচিত্র্য, বাজারের গভীরতা ও দক্ষতা বাড়াতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড প্ল্যাটফর্মে আর্থিক ডেরিভেটিভস চালুর বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে সচেতনতা ও পরামর্শমূলক কর্মসূচি আয়োজন করেছে। সোমবার ডিএসইর ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিএসইসি, ডিএসই এবং বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএসইসির কমিশনার মো. নাফিজ আল তারেক বলেন, ডেরিভেটিভ চালুর বিষয়ে কমিশন ইতিবাচক হলেও আগে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বাজারের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি ২০২৮ সালের লক্ষ্য সামনে রেখে সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বা সিসিপি ব্যবস্থা কার্যকর এবং বিধিমালা সংশোধনের ওপর জোর দেন। নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল কালাম জানান, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক, প্রযুক্তিগত ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলছে।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেন, নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ও সময়সূচি অনুযায়ী অংশীজনদের মতামত নিয়ে ধাপে ধাপে উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হবে। মার্কেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়ের জানান, ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে ডেরিভেটিভ পণ্য চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমে স্টক ইনডেক্স ফিউচারস, পরে সিঙ্গেল স্টক ডেলিভারেবল ফিউচারস এবং দীর্ঘমেয়াদে অপশনস মার্কেট চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
২০২৮ সালের জানুয়ারিতে ডেরিভেটিভ চালুর পরিকল্পনা ডিএসইর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।