চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযান সাময়িকভাবে সামরিক প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। তবে তাদের মতে, এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সেনাবাহিনীর ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করছেন। তাইওয়ান প্রণালি এবং পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক তৎপরতা ও আধুনিকায়ন বৃদ্ধির সময়েই এসব পরিবর্তন সামনে এসেছে। জিয়াং ইউক্সিয়া ও লিউ ঝেনলিকে কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো থেকে বহিষ্কারের খবর এসেছে; সাত সদস্যের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের পাঁচটি পদ এখন শূন্য।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক জেমস চার বলেন, সামরিক কাঠামোর ওপর শি জিনপিংয়ের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকা প্রায় নিশ্চিত। বেইজিংভিত্তিক গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনস্টিটিউশনের প্রেসিডেন্ট তিয়েন শিচেনের মতে, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের অপসারণ দীর্ঘমেয়াদে বাহিনীর রাজনৈতিক ভিত্তি, অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও যুদ্ধসক্ষমতা শক্তিশালী করতে পারে।
রদবদলের মধ্যেও চীন প্রতিরক্ষা কার্যক্রম, অস্ত্র পরীক্ষা ও সামরিক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তাইওয়ানকে ঘিরে বড় সামরিক অভিযান পরিচালনায় পিএলএর সক্ষমতা কতটা অক্ষুণ্ন রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউটের রুবি ওসমান বলেন, বড় পরিবর্তন জটিল অভিযানে সমস্যা সৃষ্টি করবে না—এমন ধারণা কঠিন। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালের শেষ দিকে পরবর্তী পার্টি কংগ্রেসের আগে কমিশনের শূন্য পদগুলো পূরণ নাও হতে পারে।
পিএলএর রদবদলে প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন, শির নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।