Web Analytics

গাজায় পাঁচ বছর বয়সী হিন্দ রজব হত্যার দুই বছর পর ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দায় স্বীকার করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সামরিক তদন্তে বলা হয়েছে, রজব পরিবারের গাড়ি এবং তাকে উদ্ধারে পাঠানো প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির অ্যাম্বুলেন্সে ইসরাইলি বাহিনী গুলি চালায়। হিন্দের মা ওয়েসাম হামাদা বলেন, ফিলিস্তিনি শিশুরা মারা যেতে থাকলে শুধু সামরিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নির্ধারণ করা যায় না।

৩০ বছর বয়সী হামাদা ফোনে TRT World-কে বলেন, ‘ন্যায়বিচার হলো যুদ্ধ বন্ধ হওয়া।’ ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর নির্দেশে হিন্দ ও তার পরিবার গাজা শহর ছেড়ে পালাচ্ছিল। তদন্ত অনুযায়ী, তাদের কালো কিয়া গাড়িতে ৩০০টির বেশি গুলি লাগে। এতে চালক হিন্দের চাচা ও অন্য স্বজনরা নিহত হন। নিহত হওয়ার আগে ১৫ বছর বয়সী চাচাতো বোন লায়ান পিআরসিএসের ডিসপ্যাচারদের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছিল।

প্রথমে একমাত্র জীবিত হিন্দ স্বজনদের মরদেহের মধ্যে গাড়িতে আটকে থেকে বারবার সাহায্য চেয়েছিল। পরে পাঠানো অ্যাম্বুলেন্সের কর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার আর্তি শিশুদের যুদ্ধ-দুর্ভোগের বৈশ্বিক প্রতীকে পরিণত হয় এবং ‘দ্য ভয়েস অফ হিন্দ রজব’ তথ্যচিত্রকে অনুপ্রাণিত করে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবরের মধ্যে ৬৪ হাজারের বেশি শিশু নিহত বা আহত হয়েছে।

21 Aug 26 1NOJOR.COM

হিন্দ রজবের মা বললেন, ন্যায়বিচার মানে যুদ্ধ ও শিশু হত্যা বন্ধ হওয়া

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।