নেপালে টানেলে আটকে থাকা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মীদের কাছে পৌঁছানোর উদ্ধারকাজ রাতভর ভারী বৃষ্টি ও নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একাধিক টানেলে শতাধিক শ্রমিক জীবিত অবস্থায় আটকে থাকতে পারেন। ত্রিশূলী-৩এ ও ৩বি প্রকল্প এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। বুধবার সকালে কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত নামার পর থেকে ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন।
ত্রিশূলী-৩এ প্রকল্পে সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল ড্রিল মেশিন ব্যবহার করে শনিবার সন্ধ্যায় কাদায় তলিয়ে যাওয়া একটি টানেলের ওপরের অংশে পৌঁছায়। পরে সেখানে বাতাস প্রবেশ করানো এবং ক্যামেরা পাঠানোর কাজ শুরু হয়। নেপাল সেনাবাহিনী রোববার সকালে জানায়, উদ্ধার অভিযানের পঞ্চম দিনে স্থানীয় সময় রাত ২টার পর ভারী বৃষ্টিতে নদীর পানির উচ্চতা বাড়ে এবং খনন করা স্থান পানিতে ভরে যায়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলেছে, অবিরাম বৃষ্টি ও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধারকারীরা রাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন। ভারত ও চীনের বিশেষায়িত টানেল উদ্ধারকারী দল অভিযানে যোগ দিয়েছে। ১১টি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে; এগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা ৪৩১ দশমিক ১ মেগাওয়াট।
ভারী বৃষ্টি ও নদীর পানি বৃদ্ধিতে নেপালের টানেল উদ্ধার অভিযান ব্যাহত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।