যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ যুদ্ধের সপ্তম দিনে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা যুদ্ধের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং ‘শাসন কাঠামো’ লক্ষ্যবস্তু করছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাদের বি-২ বোমারু বিমান ইরানের গভীরে অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশকারী বোমা নিক্ষেপ করেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী তেহরানে সামরিক, রাজনৈতিক ও আবাসিক এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটেছে, যার মধ্যে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় ও পাস্তুর স্ট্রিটের আশপাশও রয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিলুফার স্কয়ারের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও হামলা হয়েছে। ইউনিসেফ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৮১ জন শিশু রয়েছে এবং মোট মৃতের সংখ্যা ১,৩০০ ছাড়িয়েছে।
শিরাজ, কুম, ইসফাহান ও কেরমানশাহসহ আরও কয়েকটি শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া হামলায় অন্তত ১,৩৩২ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি মধ্যস্থতার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ইরান তার মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পরে ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, তারা কুয়েত উপকূলে একটি মার্কিন মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সতর্ক করেছেন যে, আগামী দিনে হামলার তীব্রতা আরও বাড়বে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় তেহরানসহ ইরানে নিহতের সংখ্যা ১,৩০০ ছাড়িয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।