বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) দীর্ঘ গবেষণার পর দুটি নতুন আমন ধানের জাত ‘বিনা ধান-২৭’ ও ‘বিনা ধান-২৮’ উদ্ভাবন করেছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় এই দুটি জাত সারা দেশে চাষাবাদের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। এর ফলে বিনার উদ্ভাবিত ধানের মোট জাতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮টি।
‘বিনা ধান-২৭’ দেশের প্রথম ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী উচ্চফলনশীল আমন ধান। এতে পিআইনাইন (Pi9) ও পিশ (Pish) নামের দুটি প্রতিরোধী জিন সংযোজন করা হয়েছে। গাছের উচ্চতা ৯৫ থেকে ১০০ সেন্টিমিটার এবং হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ছয় থেকে সাড়ে ছয় টন, অনুকূল পরিবেশে সাত টন পর্যন্ত পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ‘বিনা ধান-২৮’ একটি জিংকসমৃদ্ধ, সুগন্ধি ও মাঝারি চিকন চালের জাত, যার প্রতি কেজিতে জিংকের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৮৩ মিলিগ্রাম।
এই জাতটির জীবনকাল ১২০ থেকে ১২৫ দিন এবং গড় ফলন হেক্টরপ্রতি প্রায় সাড়ে ছয় টন। চালের অ্যামাইলোজ ২৭ দশমিক ৪২ শতাংশ হওয়ায় ভাত ঝরঝরে ও সুস্বাদু হয়। বিনা কর্তৃপক্ষের মতে, এই দুটি জাত কৃষকের আয় বৃদ্ধি, পুষ্টি নিরাপত্তা ও উৎপাদন খরচ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিনা উদ্ভাবন করল ব্লাস্ট প্রতিরোধী ও জিংকসমৃদ্ধ দুটি নতুন আমন ধানের জাত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।