যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যবিরোধ জটিল হওয়ার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বে কানাডা পাল্টা চাপ তৈরির কয়েকটি পথ বিবেচনা করছে। কার্নি ডলার-ফর-ডলার ভিত্তিতে পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছেন; সম্ভাব্য তালিকায় ইস্পাত, দুগ্ধপণ্য, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, কৃষিযন্ত্র, ইলেকট্রনিকস, পাল্প ও কাগজ রয়েছে, তবে এটি চূড়ান্ত হয়নি। কানাডা তার উৎপাদিত পণ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করে, কিন্তু ২৬টি মার্কিন অঙ্গরাজ্যের পণ্যের প্রধান ক্রেতাও কানাডা।
কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিদ্যুতের বড় অংশ কানাডা সরবরাহ করে এবং দেশটির অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ আসে কানাডা থেকে। জ্বালানি এখনো পাল্টা ব্যবস্থার তালিকায় নেই, তবে বিকল্পটি বাতিল হয়নি। অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড জ্বালানি সারচার্জের সম্ভাবনার কথা বলেছেন এবং পটাশ ও লিথিয়াম, নিকেল, গ্রাফাইটের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজে কানাডার সরবরাহক্ষমতার কথা তুলে ধরেছেন।
আগের মার্কিন শুল্কের জবাবে কানাডার অধিকাংশ প্রদেশ মদের দোকান থেকে মার্কিন অ্যালকোহল সরিয়ে নেয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় মার্কিন ওয়াইন রপ্তানি বছরে ৭৮ শতাংশ কমেছে। কার্নি বলেছেন, আগামী ১ জানুয়ারির পর কানাডীয় গাড়ি ও যন্ত্রাংশে ৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকি মার্কিন শ্রমিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
বাণিজ্যবিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর শুল্ক, জ্বালানি ও খনিজ চাপের বিকল্প ভাবছে কানাডা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।