রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসু কার্যালয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী এবং বর্তমানে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আনাস কয়েকজনকে নিয়ে রাকসু ভবনে হামলা চালান। এতে আম্মার ও রাকসুর সহ-বিজ্ঞান সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।
ঘটনার সূত্রপাত নারীঘটিত একটি অভিযোগ নিয়ে প্রক্টর দপ্তরে আলোচনা থেকে। সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী ছাত্রদল কর্মী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। এ বিষয়ে আলোচনার সময় আনাসের সঙ্গে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানের বাকবিতণ্ডার অভিযোগ ওঠে। পরে রাকসু জিএসের সঙ্গে তার সংঘর্ষের কথাও বলা হয়। আনাস ও তাঁর সঙ্গীরা গ্রন্থাগারের রিডিং রুমে আশ্রয় নিলে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে ঢুকে তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রক্টর ও জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তারা উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং আহত এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ‘সেইফ এক্সিট’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে রাকসু ও হল সংসদ নেতারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন এবং গ্রেপ্তারের দাবি জানান। উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
রাবিতে হামলা ও পাল্টা মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।