আমার দেশের সহযোগী সম্পাদক আলফাজ আনামের একটি মতামতধর্মী লেখায় ভারত ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ডিজিটাল আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সরকারগুলোর প্রতি সংবেদনশীলতার আহ্বান জানানো হয়েছে। ২৮ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত লেখাটিতে ভারতের কথিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ আন্দোলন এবং বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষার সময় ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্য ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়াকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
লেখায় বলা হয়, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার অনিয়মের বিরুদ্ধে দিল্লিতে শিক্ষার্থী সমাবেশের পর সরকার আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতার মধ্যে পরীক্ষা আয়োজন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ার পর ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয় এবং সংসদ ভবনের সামনেও জমায়েতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করলে পরিস্থিতি শান্ত হয় বলে লেখক জানিয়েছেন।
লেখক মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক শিক্ষার্থী আন্দোলন দ্রুত বিস্তৃত হতে পারে এবং প্রচলিত রাজনৈতিক আন্দোলনের তুলনায় তা সামাল দেওয়া কঠিন। শিক্ষা সংস্কার, মেধাভিত্তিক নিয়োগ, শিক্ষক জবাবদিহি ও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। বেকারত্ব ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে বিভিন্ন খাতে ক্ষোভ বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
শিক্ষার্থী আন্দোলন ও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে মতামতধর্মী বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।