দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, ইরাক ও কসোভোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থান অনেক ক্ষেত্রেই স্থায়ী রাজনৈতিক ফল নিশ্চিত করতে পারেনি। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর পর প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের একাংশের সংশয়, সামরিক চাপ দিয়ে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করা এবং পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ মোকাবিলার লক্ষ্য কতটা অর্জিত হবে।
প্রতিবেদনে কোরিয়ায় স্থায়ী শান্তিচুক্তির অনুপস্থিতি, ভিয়েতনাম থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর কমিউনিস্ট শাসনে দেশটির একীভূত হওয়া এবং ২০২১ সালে মার্কিন প্রত্যাহারের পর তালেবানের কাবুলে ফেরার কথা তুলে ধরা হয়েছে। ইরাকে ২০০৩ সালের সরকার পরিবর্তনের পর সাম্প্রদায়িক সংঘাত, বিদ্রোহ ও আইএসের উত্থানের কথাও বলা হয়েছে। কসোভোর স্বাধীনতা ২০০৮ সালে ঘোষিত হলেও তার আন্তর্জাতিক মর্যাদা নিয়ে বিরোধ রয়ে গেছে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ২৩ জুনের হিসাব অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে ব্যয় প্রায় ৪০০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল; তাদের হিসাবের পরিসর ছিল ৩৪০০ কোটি থেকে ৪২০০ কোটি ডলার। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ বেড়েছে। ১১ অক্টোবরের রয়টার্স প্রতিবেদনে ইরান প্রণালি খোলার বিষয়ে মার্কিন জবাবকে অপর্যাপ্ত বলেছে।
বিশ্লেষণে উঠে এসেছে মার্কিন সামরিক সাফল্য ও স্থায়ী রাজনৈতিক ফলের ব্যবধান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।