ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক স্থায়ী যুদ্ধবিরতি আনতে ব্যর্থ হলেও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স ও স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক ছিল প্রায় পঞ্চাশ বছর পর দুই বৈরী দেশের প্রথম মুখোমুখি আলোচনা। যদিও আলোচনায় বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও জাপানসহ গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলো পাকিস্তানের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে দিয়েছে। ভারতীয় মিডিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে প্রচার করলেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সেই ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। পাকিস্তানের সাফল্যের প্রসঙ্গ উঠলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের দালাল বলে মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরাইলের প্রতি ভারতের প্রকাশ্য সমর্থন ও সুযোগসন্ধানী পররাষ্ট্রনীতি দেশটির বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করেছে।
যদিও ইসলামাবাদ বৈঠক প্রত্যাশিত ফল দেয়নি, পাকিস্তানের অব্যাহত মধ্যস্থতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পথ খোলা রাখতে পারে।
মার্কিন-ইরান আলোচনায় পাকিস্তানের সাফল্যে ভারতের ভূরাজনৈতিক প্রভাব কমছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।