বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ নার্স রয়েছে, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৪৫ লাখ নার্সের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশে চিকিৎসক ও নার্সের অনুপাত আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম, যেখানে প্রতি চিকিৎসকের বিপরীতে থাকা উচিত তিনজন নার্স, সেখানে রয়েছে মাত্র ১.১ জন। দেশে নিবন্ধিত নার্সের সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬১৩ জন, চিকিৎসক ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৫৩ জন, দন্তচিকিৎসক ১২ হাজার ৯৪০ জন এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ৩০ হাজার ৭৯৫ জন।
প্রতি ১০ হাজার রোগীর জন্য বাংলাদেশে নার্স আছেন মাত্র ৬.৬ জন, যেখানে নেপালে ৪০.৯ এবং মালদ্বীপে ৫০.২ জন। দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পর বাংলাদেশে নার্সের সংখ্যা সবচেয়ে কম। নার্সিং পেশায় আগ্রহ বাড়লেও চাহিদা পূরণে ঘাটতি রয়ে গেছে। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে ৪৬৪টি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও কলেজ রয়েছে, ২০১০ সালে যা ছিল মাত্র ৮৭টি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আইসিইউ ও ওটি নার্সিংয়ের মতো বিশেষায়িত প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দিলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বাজারে দক্ষ নার্স সরবরাহ করতে পারবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতও শক্তিশালী হবে।
বৈশ্বিক চাহিদা ও আগ্রহ বাড়লেও বাংলাদেশে নার্সের ঘাটতি রয়ে গেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।