সাউথ এশিয়ান জাস্টিস ক্যাম্পেইনের প্রকাশিত ‘ইন্ডিয়া টর্চার ট্র্যাকার’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভারতে অন্তত ৪৪ জন মুসলমান নাগরিক নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১৯ জনের হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও সংস্থার সংযোগ রয়েছে এবং ২৫ জন উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রতিবেদনে গ্রেপ্তার, বাড়িঘর ও ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং উচ্ছেদকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের ধরন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মে থেকে জুলাইয়ে আট রাজ্যের ২১ ঘটনায় এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙা হয় বলে এতে দাবি করা হয়েছে; চলতি বছরে মোট সংখ্যা তিন হাজারের বেশি। দুই মাসে ছয় রাজ্যে মসজিদ, মাদরাসা ও খানকাহসহ ২৩টি ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে একটি সশস্ত্র হামলার পর ৪৮ ঘণ্টায় ২,৫০০-এর বেশি স্থানীয়কে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দুই পরিবারের বাড়ি বিস্ফোরক দিয়ে ধ্বংস করা হয়। এতে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমবিদ্বেষী হামলা বৃদ্ধির, সংখ্যালঘু কল্যাণ তহবিলের ৬২ শতাংশ অর্থ কাটার এবং গরু জবাইয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞার অভিযোগও রয়েছে। প্রতিবেদনে ভোটার তালিকা থেকে ৬ কোটি মানুষ বাদ পড়ার দাবি করা হয়েছে, যাদের বেশির ভাগ মুসলমান।
প্রতিবেদনে সাত মাসে ভারতে ৪৪ মুসলমান নিহত ও ব্যাপক নিপীড়নের অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।