আমার দেশ-এর প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্দোলনে আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা না দেওয়া এবং ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি ২৭ থেকে ৩০ জুলাই বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং পঙ্গু হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে চিকিৎসকদের ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ’ নির্দেশ দেন বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন অফিসে তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর এ অভিযোগের কথা জানান। তিনি বলেন, আহত রোগী, স্বজন ও কর্তব্যরত চিকিৎসকদের বক্তব্য এবং এ-সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ প্রসিকিউশনের কাছে রয়েছে। প্রতিবেদনে এই অভিযোগকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিহতদের মৃত্যু সনদ ও দাফনপ্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ছিল এবং দেশজুড়ে অন্তত ১০ হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হন। ঢাকায় ২৬৪টি মামলা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা ও নাশকতার অভিযোগে ১৩৪ জনকে কারাগারে পাঠানো এবং ১৭ জনের রিমান্ড মঞ্জুরের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালে ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ’ নির্দেশের অভিযোগ ও জুলাই দমনের বর্ণনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।