যশোরের শার্শার সোনামুখী বিলের এএফ খামারে মাছ মৃত্যুর কারণ লোডশেডিং নয় বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি। ঘটনার দুই দিনের মাথায় বুধবার কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪১ দশমিক ৮২ একরের খামারটিতে অব্যবস্থাপনা ও অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষসহ কয়েকটি কারণে মাছ মারা গেছে।
কারিগরি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, খামারে প্রতি শতাংশে দেড় হাজার পাবদা ও ১৬টি কার্পজাতীয় মাছ মজুদ ছিল। সক্ষমতা অনুযায়ী সেখানে ৮০০ পাবদা এবং পাঁচ থেকে ছয়টি কার্পজাতীয় মাছ থাকা উচিত ছিল। পানিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পিএইচ, অতিরিক্ত ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন এবং সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি অ্যামোনিয়া পাওয়া যায়। অতিরিক্ত মাছের ঘনত্ব, ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের আধিক্য ও অপর্যাপ্ত এয়ারেশনকে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ঝুঁকি বলা হয়েছে।
৪২ একর জলাশয়ের জন্য খামারটিতে মাত্র পাঁচটি দুই হর্সপাওয়ারের এয়ারেটর ছিল, যেখানে অন্তত ৩০টি প্রয়োজন ছিল। বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও করা হয়নি। তদন্তে ঘটনার রাতে ১টা ৪২ মিনিট থেকে ২টা ২৬ মিনিট পর্যন্ত ৪৪ মিনিট লোডশেডিং পাওয়া যায়। আশপাশের ১২টি বড় ঘেরে মাছ না মরার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অসুস্থতার কথা জানিয়ে পরে ফোন বন্ধ করায় খামার মালিক আলফাজুল হকের সাক্ষাৎ পায়নি কমিটি।
যশোরে মাছ মৃত্যুর জন্য লোডশেডিং নয়, অব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত মজুদকে দায়ী তদন্তে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।