হামাস ও তাদের মিত্র ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো একটি নিরস্ত্রীকরণ রোডম্যাপে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে জানানো হয়, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলের পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার, পুনর্গঠন শুরু এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে কার্যকর অগ্রগতি প্রয়োজন। হামাস সরাসরি ইসরাইলের কাছে অস্ত্র সমর্পণে রাজি নয়; স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রটির নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে অস্ত্র হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসরাইল গাজা থেকে পুরোপুরি সেনা সরিয়ে নিলে এবং পুনর্গঠনে বাধা না দিলে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো ধাপে ধাপে ভারী অস্ত্র সংরক্ষণ ও নিষ্ক্রিয় করা শুরু করবে। ব্যক্তিগত অস্ত্র নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ক্রমে গাজার প্রশাসনিক কাঠামোর কাছে দেওয়া হবে। তবে ইসরাইলের পক্ষ থেকে পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার বা পুনর্গঠন নিয়ে কার্যকর ইতিবাচক সংকেত মেলেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। হামাস বলেছে, তারা ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালায়নি এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব জাতীয় প্রশাসনিক কমিটির কাছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ইসরাইল যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন, মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা এবং সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ইসরাইলের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রশ্নে অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।
শর্তসাপেক্ষ নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হামাস, ইসরাইলি প্রত্যাহার ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অগ্রগতি চায়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।