Web Analytics

২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের পর ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে। এই পরিবর্তন বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যেখানে ইউরোপীয় দেশগুলো ‘কৌশলগত হেজিং’ নীতি অনুসরণ করে একক পরাশক্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ জোটবদ্ধ না থেকে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছে। ইউরোপ এখন স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে ইরান যুদ্ধ তাদের যুদ্ধ নয়, এবং তারা নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অগ্রাধিকারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এই পরিবর্তনের তিনটি মূল দিক হলো—প্রাতিষ্ঠানিক দূরত্ব সৃষ্টি, অর্থনৈতিক ভারসাম্য পুনর্গঠন এবং বহুমুখী কূটনীতি। ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানের বিকল্প উদ্যোগ নিচ্ছে, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করছে এবং তুরস্ক, সৌদি আরব ও ভারতের মতো আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক পথ খুলছে। এসব পদক্ষেপ ইউরোপের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের প্রতিফলন।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি ১৯৪৫ সালের পর পশ্চিমা জোটব্যবস্থার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। ইউরোপ এখন নিজেকে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বে একটি সার্বভৌম মেরু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

06 May 26 1NOJOR.COM

ইরান যুদ্ধের পর ইউরোপের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও বহুমেরুকেন্দ্রিক কূটনীতির পথে অগ্রসরতা

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।