ইসরাইল সরকার পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর অনুমোদন দিয়েছে, যা আরব দেশগুলো ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো স্বচ্ছভাবে জমির মালিকানা নির্ধারণ ও আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করা। তাদের দাবি, প্যালেস্টাইন অথরিটি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বেআইনি নিবন্ধনের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন কার্যক্রম কেবল ‘এরিয়া সি’ অঞ্চলে চালু হবে, যা পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মিশর, কাতার ও জর্ডান এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে। মিশর একে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করার বিপজ্জনক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে, আর কাতার বলেছে, জমিকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ ঘোষণা ফিলিস্তিনিদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে। প্যালেস্টাইন অথরিটি আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এটি কার্যত সংযুক্তিকরণের সূচনা এবং সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করবে। ইসরাইলি সংগঠন পিস নাও একে ‘মেগা ল্যান্ড গ্র্যাব’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর এই প্রথম পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে বর্তমানে পাঁচ লাখের বেশি ইসরাইলি ও প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করছেন।
আরব বিশ্বের নিন্দার মধ্যে পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন পুনরায় চালুর অনুমোদন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।