খসড়া সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর কিছু বিধান জনগণের মৌলিক মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের জন্য ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি করবে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের মতামত এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার আলোকে খসড়াটি ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানায়।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত আইনে সাইবার অপরাধ, সাইবার সুরক্ষা এবং জনগণের মতপ্রকাশের অধিকার—তিনটি জটিল বিষয় একত্র করা হয়েছে, কিন্তু কোনোটিকেই যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাঁর মতে, গুজব, অপতথ্য, হেয়প্রতিপন্ন করা, মানহানিকর তথ্য ও রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর বিষয়গুলোর সংজ্ঞা এমনভাবে দেওয়া হয়েছে, যাতে অপব্যাখ্যা ও লক্ষ্যভিত্তিক অপব্যবহারের সুযোগ থাকে।
যৌন হয়রানি ও সেক্সটর্শনের সংজ্ঞাও অসম্পূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে টিআইবি। ২৮ সদস্যের প্রস্তাবিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে বেসরকারি পর্যায়ের মাত্র দুজন সরকার মনোনীত বিশেষজ্ঞ রাখার প্রস্তাবের সমালোচনা করে সংস্থাটি স্বাধীন ও দলনিরপেক্ষ কাউন্সিল গঠনের দাবি জানায়। ‘সরল বিশ্বাসে’ কাজের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়মুক্তির বিধানেরও বিরোধিতা করেছে টিআইবি।
খসড়া সাইবার সুরক্ষা আইন ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।