কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ভারতে তরুণদের আন্দোলন, শিক্ষাব্যবস্থার অনিয়ম এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগকে সামনে রেখে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে তিনি নাগরিক অধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নির্বাচনি স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ৫৬ বছর বয়সে তিনি বিজেপির হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিপরীতে নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছেন।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসের আসন বাড়ে এবং বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে জোটনির্ভর সরকার গঠন করে। এরপর রাহুল বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পান। তিনি মহারাষ্ট্র ও বিহারের নির্বাচন নিয়ে ভোটার তালিকায় কারসাজির অভিযোগ তুলেছেন। ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার বিষয়ও তিনি সামনে আনেন। তবে নির্বাচন কমিশন বলেছে, নাম বাদ দেওয়ার পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না।
গত জুনে শুরু করা ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ বা ‘তরুণদের কণ্ঠস্বর’ কর্মসূচিতে রাহুল তরুণদের রাজনৈতিক জবাবদিহি, শিক্ষাসংকট ও বৈষম্য নিয়ে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছেন। বিজেপি নেতারা তার বক্তব্যকে অতিরঞ্জিত বলেছেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেসের বড় পরাজয়ের পূর্বাভাস দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, রাহুলের সাম্প্রতিক তৎপরতা মোদির বিরুদ্ধে তার রাজনৈতিক অবস্থানকে স্পষ্ট করেছে, তবে এর নির্বাচনি ফল এখনো অনিশ্চিত।
তরুণদের অসন্তোষ ও ভোটার তালিকা ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে অবস্থান জোরদার করছেন রাহুল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।