৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটাররা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধাক্কা দিতে পারেন বলে জনমত জরিপের ইঙ্গিত রয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, ট্রাম্পের গড় জনসমর্থন প্রায় ৩৭ শতাংশ, যা তার দুই মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি। ইরানের সঙ্গে অমীমাংসিত যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ ভোটারদের ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
জরিপকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি দেখছে; সিনেটেও তাদের সম্ভাবনা আছে, যদিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা কঠিন। এপি-এনওআরসি জরিপে প্রায় ৮০ শতাংশ ভোটার অর্থনীতি বা জীবনযাত্রার ব্যয়কে প্রধান বিবেচ্য বলেছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ স্বাস্থ্যসেবা ও ইরান যুদ্ধকে গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন। প্রায় ৮০ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে ট্রাম্পের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট এবং প্রায় তিন-চতুর্থাংশ তার অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।
সূত্রে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের জাতীয়তাবাদী ও জনতুষ্টিবাদী রাজনৈতিক মডেলের প্রভাব বিশ্বজুড়ে মিশ্র অবস্থায় আছে। রিফর্ম ইউকের সমর্থন ২০২৫ সালের আগস্টে ৩০ শতাংশের বেশি থেকে ২০২৬ সালের আগস্টে প্রায় ২৫ শতাংশে নেমেছে, তবে ফ্রান্সের ন্যাশনাল র্যালি প্রভাবশালী। রিপাবলিকানদের ফল খারাপ হলেও অভিবাসন, জাতীয় পরিচয়, বাণিজ্য ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনাস্থার ইস্যুগুলো গুরুত্বপূর্ণ থাকায় ট্রাম্পের প্রভাব দ্রুত শেষ হবে না।
জীবনযাত্রার ব্যয় ও ইরান যুদ্ধের মধ্যে ট্রাম্পের অবস্থান পরীক্ষা দেবে ৩ নভেম্বরের ভোট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।