মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ৪০ জনের বেশি শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর দ্বিতীয় সপ্তাহেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধের পর তেহরানের আত্মসমর্পণের আশা করেছিল ওয়াশিংটন ও তেলআবিব, কিন্তু বাস্তবে ইরান অব্যাহতভাবে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই যুদ্ধ কৌশলগতভাবে ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। ইরান সরাসরি জয় নয়, বরং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করে প্রতিপক্ষকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে দুর্বল করার কৌশল নিয়েছে। দেশটির বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তায় ইরান প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই যুদ্ধকে অবৈধ বলেছেন এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেৎস সতর্ক করেছেন, ইরানকে প্রক্সি যুদ্ধের ক্ষেত্র বানানো উচিত নয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত ওয়াশিংটনের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিযানে পরিণত হতে পারে।
দ্বিতীয় সপ্তাহেও মার্কিন-ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধ অব্যাহত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।