ফিলিস্তিনপন্থি অধিকারকর্মী মাহমুদ খলিল বলেছেন, ছাত্র আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্রের জনমত বদলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং নতুন প্রজন্মের নেতাদের ইসরাইল বিষয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনায় উৎসাহিত করেছে। ২০২৫ সালের ৮ মার্চ গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে নিজের স্মৃতিকথা ‘নো ল্যান্ড টু স্ট্যান্ড অন: নোটস ফ্রম ডিটেনশন’ নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২০২৪ সালে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন ৩১ বছর বয়সি খলিল। শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানটিকে তিনি বিজয় হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে এবং ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনিদের কণ্ঠস্বর মুছে ফেলতে চায়। কয়েকটি ইহুদি সংগঠন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ক্যাম্পাসে ফেরার বিরোধিতা করে।
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, ভিন্নমতের মধ্যে কঠোর বিতর্ক, অনুসন্ধান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ সংলাপ বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষকরা একাডেমিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অধিকার রাখেন, তবে কাউকে আমন্ত্রণ জানানো তার মতামতের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমর্থন নয়। স্থায়ী মার্কিন বসবাসের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও খলিলকে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ ছাড়াই তিন মাস আটক রাখা হয়। ২০২৫ সালের ২০ জুন মুক্তি পেলেও ট্রাম্প প্রশাসন তাকে বহিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মাহমুদ খলিলের দাবি, ফিলিস্তিনপন্থি ছাত্র আন্দোলন বদলাচ্ছে মার্কিন রাজনীতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।