বাংলাদেশে সরকারি সার মজুতের হিসাব নিয়ে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে; কৃষি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্যের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের গুদাম মজুতের মিল পাওয়া যাচ্ছে না বলে বলা হয়েছে। বোরো ও আমন মৌসুমে চাহিদা বাড়ার সময়ে এ পরিস্থিতি সরবরাহ ও বিতরণে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। রোববার জাতীয় সংসদে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দাবি করেন, দেশে চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই এবং মাঠপর্যায়ে নিবিড় মনিটরিং চলছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এক বছরে ইউরিয়ার সরকারি মজুত ১৪ লাখ ৬ হাজার ৯২৬ টন থেকে কমে ১২ লাখ ৩ হাজার ৩৯৯ টনে নেমেছে। ডিএপির মজুত ৪৩ হাজার ৩৪৩ টন থেকে ৩৬ হাজার ৪০ টনে কমেছে। তবে টিএসপির মজুত ২৬ হাজার ১২৩ টন থেকে ৩০ হাজার ২৬৫ টন এবং এমওপির মজুত ৫১ হাজার ৩৫ টন থেকে ৫৩ হাজার ৩৮৮ টনে বেড়েছে। ডিলারদের দাবি, কৃষিকাজের আওতা বাড়লেও সারের বরাদ্দ বাড়েনি।
সার বিতরণ বিতর্কের মধ্যে সরকার তিন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়েছে। আলু মৌসুম সামনে রেখে কৃষকেরা আগাম ডিএপি কিনছেন বলে কর্মকর্তারা জানান, যদিও ইউরিয়ার বিক্রি সীমিত। অনিয়মের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৯ জন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাকে জরিমানা করা হয়েছে। কুড়িগ্রামে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও অবৈধ মজুতের অভিযোগে চার খুচরা বিক্রেতাকে জরিমানা করা হয়।
সারের মজুতের গরমিল নিয়ে উদ্বেগ, তবে সরকার বলছে দেশে ঘাটতি নেই
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।